”’
ফরিদপুর সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের এক পরিবারে দীর্ঘ ৩৬ বছর সংসার করার পরেও সীমা অধিকারীর (৪৬) নামে এক নারীর বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ ওঠেছে।
গতকাল (২৩ সেপ্টেম্বর) মঙ্গলবার দুপুরে যশোর কোতয়ালী থানার চত্বরে পরকীয়া স্ত্রী সীমাকে নিয়ে
স্বামী বিকাশ অধিকারী ও নতুন প্রেমিক পলাশ কুন্ডু দুই দিক থেকে টানাটানির দৃশ্য দেখে যায়। যেন
সিনেমার দৃশ্য হার মেনে যায়।
সেখানে স্বামী বিকাশ অধিকারী বলেন, আমার স্ত্রী সীমাকে আমি বাড়িতে ফিরিয়ে নেবই।” নতুন প্রেমিক পলাশ কুন্ডু পাল্টা বললেন—“না, উনি আমার সঙ্গে থাকতে চান।”আর দুই জনের মধ্যে সীমা দাঁড়িয়ে ঘোষণা দেন“আমি কারও হুকুমের গোলাম নই, আমি যাকে চাই, তার সাথেই থাকবো।
বিবাহিত এই দীর্ঘ সময়েও, অভিযোগ অনুযায়ী সীমা অধিকারী পলাশ কুন্ডু নামে এক পুরুষের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়েছেন। পলাশ কুন্ডু ফরিদপুরের লোহা কারখানার সঙ্গে সম্পর্কিত। তিনি দীর্ঘদিন ভারতে অবস্থান করার পর বাংলাদেশে আসেন এবং যশোরের হোটেল ওরিয়ানে অবস্থান করছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সীমা অধিকারী ও স্বামী বিকাশ অধিকারীর এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। মেয়ে ভারতে একজন সেনা কর্মকর্তার সাথে বিবাহিত এবং ছেলে বাংলাদেশের কাস্টমস অফিসার।
স্থানীয় সূত্রে আরোও জানা যায়,
স্বামী তার স্ত্রী ও পলাশ কুন্ডুকে “ট্রিপল নাইনে” নাম্বারে কল করে পুলিশের সহযোগিতায় থানায় নিয়ে আসেন। পুলিশ ঘটনার সত্যতা যাচাই করছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। অভিযুক্ত পরকীয়া স্ত্রী সীমা অধিকারী-স্বামী বিকাশ অধিকারী ও প্রেমিক পলাশ কুন্ডুকে পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়।
এই বিষয়ে যশোর কোতয়ালী থানার ওসি (তদন্ত) কাজী বাবুল জানান, ৯৯৯-এ কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের তিনজনকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। বর্তমানে তারা থানা হেফাজতে আছেন এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে।